মক্কা নগরী ও কাবা ঘরের সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী

0
1011
Masjidul Haram
Masjidul Haram

কাবাঘর নির্মাণকারীগণ
১. ফিরিশতাগণ
২. আদম আলাইহিস সালাম
৩. শীস আলাইহিস সালাম
৪. ইবরাহীম ও ইসমাঈল আ.
৫. আমালেকা জাতি
৬. জুরহাম জাতি
৭. কুসাই ইবনে কিলাব
৮. কুরাইশ সম্প্রদায় (৬০৫ খৃ.)
৯. সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাযি. (৬৫ হি.- ৬৮০ খৃ.)
১০. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ (৭৪ হি. -৬৯৩ খৃ.)
১১. সুলতান মূরাদ তুর্কী (১০৪০হি. -১৬৩০ খৃ.)

কুরআনে বর্ণিত কা‘বা ঘরের ৫টি নাম
১. আল কা‘বা الكـعـبـة
২. আল বাইতুল হারাম الـبـيـت الـحـرم
৩. বাইতুল্লাহ بـيـت الـلـه
৪. আল বাইতুল আতীক الـبـيـت الـعـتـيـق
৫. আল কিবলা قـبـلـة

কুরআনে মক্কা নগরীর ১১টি নাম
১. মক্কা مـكـة
২. বাক্কা بـكـة
৩. উম্মুল কুরা ام الـقـري
৪. আল বালাদ الـبلــد
৫. আল- বালাদুল আমিন البـلـد الا مـيـن
৬. আল- বালদাহ الـبلــد ة
৭. হারামে আমীনحـرم امـيـن
৮. ওয়াদিয়ে গায়রে জী-জার واد غـيـر ذي زرع
৯. আল- মা‘আদالـمـعـا د
১০. আল- কারইয়াহالـقـر يـة
১১. মাসজিদে হারাম الـمـسىجـد الـحـرام

যমযম কূপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী
এ বরকতময় কুপ কা‘বা ঘর থেকে ২১ মিটার দূরে অবস্থিত। আনুমানিক অনুসন্ধান অনুযায়ী যমযম কুপ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ১১-১৮ লিটার পানি উঠে। সেমতে প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ১১৬০= ৬৬০ লিটার। প্রতি ঘন্টায় ৬৬০৬০= ৩৯,৬০০ লিটার পানি উঠে।

কা’বা ঘরের মসজিদে হারামের সম্প্রসারণ
সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকেই শেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত কা’বা ঘরের চতুর্দিকের উন্মুক্ত স্থানকে মসজিদে হারাম বলা হতো। চতুর্দিকে কোনো দেয়াল বা প্রাচীর ছিলো না। নবীজির যমানায় মসজিদে হারামের সীমানা ছিলো ১৪৯০ বর্গ মিটার ২০০ বর্গমিটার।

অতঃপর বিভিন্ন যুগে…..
১. ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা ওমর রাযি. ১৭ হিজরিতে ৮৬০ বর্গমিটার সম্প্রসারণ করেন।
২. ইসলামের তৃতীয় খলীফা ওসমান রাযি. ২৬ হিজরিতে সম্প্রসারণের পর মসজিদে হারামের পরিমাণ চতুর্দিকে ২০৪০ বর্গ কি.মি. ছিলো।
৩. সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযি. ৬৫ হিজরিতে ৪৫০ বর্গমিটার সম্প্রসারণ করেন।
৪. ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালেক রহ. ৯১ হিজরিতে কেবল পূর্ব দিকে ২৩০০ বর্গমিটার সম্প্রসারণ করেছিলেন।
৫. আবু জাফর মনসুর আব্বাসি রহ. (১৩৭ হিজরি ৭৫৫ খ্রী.) এর সম্প্রসারণ ৪০৭০ বর্গমিটারে দাঁড়ায়।
৬. মুহা. মাহদী আব্বাসী রহ. (১৬০ হিজরি ৭৭৭ খ্রী.) এর আমলে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তরে সম্প্রসারণের পরিমাণ ৭৯৫০ বর্গমিটার ছিলো।
৭. খলিফা মুহা. মাহদী (১৬৪ হিজরি ৭৮১ খ্রী.) হজ্জ করতে আসলে দক্ষিণ দিকে ২৩৬০ বর্গমিটার বৃদ্ধি করেন।
৮. খলিফা মু’তাদিদ বিল্লাহ আব্বাসি (২৮৪ হিজরি ৮৯৭ খ্রী.) ১২৫০ বর্গমিটার সম্প্রসারণ করেন।
৯. খলিফা মুকতাদির আব্বাসি রাহ. (৩০৬ হিজরি ৯১৮ খ্রী.) পশ্চিমে ৮৫০ বর্গমিটার সম্প্রসারণ করেন।
১০. তুর্কি খলীফা সালিম ওসমানি (৯৭৯ হিজরি ১৫৭১ খ্রী.) সমস্ত ইমারত ভেঙ্গে ওই স্থানেই নতুন করে ইমারত তৈরি করেন।
১১. বাদশাহ আ. আজিজ রহ. (১৩৭৫ হিজরি ১৯৫৫ খ্রী.) এবং তার মৃত্যুর পর আব্দুল্লাহ ইবনে আ. আজিজ সর্ববৃহৎ পরিমাণে সম্প্রসারণের কাজ করেন। সম্প্রসারণের পরিমাণ ছিলো প্রায় ১.৯৩০০০ বর্গ কি.মি.।
১২. বাদশাহ ফাহাদ ইবনে আ. আজিজ (১৪০৯ হিজরি ১৯৮৮ খ্রী.) দক্ষিণে ৭৬০০০ বর্গ কি.মি. আন্ডার গ্রাউন্ড সহ তিনতলা বিশাল মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্রে-
তারিখে মক্কাতুল মুকাররমা- ড. মুহা. ইলিয়াস আব্দুল গণি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.