মাযহাবের পরিচয় ও প্রেক্ষাপটঃ মাযহাব চারটি কেনো?- আব্দুল্লাহ আল মাসুম

0
626
Mazhab in Islam
Mazhab in Islam

সাধারণ পরিভাষায় ফিকাহর সংকলনকে মাযহাব বলে। আগে আলোচিত হয়েছে যে, কুরআন-সুন্নাহের বিধি-বিধানের সুবিন্যস্ত সংকলনই হলো ফিকাহ। নবীজির সাহাবীগণের যুগ থেকেই বিভিন্ন সময়ে এই ফিকাহর একাধিক সংকলন বিদ্যমান ছিলো। তবে এ সব সংকলনগুলোর মধ্য থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত শুধু চারটি সংকলনই স্থায়িত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে।

এই চারটি সংকলন হলো-
এক. ‘ফিকহে হানাফি’– এ সংকলনের ভিত্তি স্থাপনের কাজটি ইমাম আবু হানিফা রহ.(জন্ম- ৮০ হিজরী, মৃত্যু- ১৫০ হিজরী)-এর হাতে সম্পন্ন হয়েছে।
দ্ইু. ‘ফিকহে মালেকি’- এ সংকলনের ভিত্তি স্থাপনের কাজটি ইমাম মালিক বিন আনাস রহ.(জন্ম- ৯৪ হিজরী, মৃত্যু- ১৭৯ হিজরী)-এর হাতে সম্পন্ন হয়েছে।
তিন. ‘ফিকহে শাফেয়ী’- এ সংকলনের ভিত্তি স্থাপনের কাজটি ইমাম আবু হানিফা রহ.(জন্ম- ১৫০ হিজরী, মৃত্যু- ২০৪ হিজরী)-এর হাতে সম্পন্ন হয়েছে।
চার. ‘ফিকহে হাম্বলি’– এ সংকলনের ভিত্তি স্থাপনের কাজটি ইমাম আবু হানিফা রহ.(জন্ম- ১৬৪ হিজরী, মৃত্যু- ২৪১ হিজরী)-এর হাতে সম্পন্ন হয়েছে।
বলাবাহুল্য, এখানে মাযহাব শব্দটির অর্থ ‘ফিকহের মাযহাব’ তথা ফিকহের নির্দিষ্ট একটি সংকলন। ইসলামের আকায়েদ বিষয়ে মতবিরোধকারী কোনো ফিরকা কিংবা দলের নাম মাযহাব নয়। কারণ ফিকহের এই মাযহাবগুলোর প্রতিটিই দ্বীন ইসলাম এবং শরীয়তের অধীনে এবং শরীয়ত অনুযায়ী চলার একাধিক পথ।
এই মাযহাবের প্রবর্তক ইমামগণের সবাই ইসলামের সহীহ আকায়েদ ও শেষ নবীর নির্দেশিত পথের পথিক ছিলেন। সব ধরণের ভ্রান্ত আকীদাহ ও মতবাদ থেকে তাঁরা মুক্ত ছিলেন। তাঁদের অনুসারীগণও তাঁদের অনুগামী।
তবে বিভিন্ন সময়ে এমন হয়েছে যে, আকীদাহগত বিভ্রান্ত ও বিদ’আতি লোকেরা উপরোক্ত চারটি ফিকহি মাযহাবের কোনো একটির অনুসরণ করেছে। বলাবাহুল্য, এ কারণে এ সব লোকের বিভ্রান্ত আকীদাহ কিংবা বিদ’আতি মতবাদের কোনো দায়-দায়িত্ব উপরোক্ত মাযহাবের ইমামগণ, তাঁদের সংকলিত ফিকাহ এবং তাঁদের অনুসারীদের ওপর কখনোই বর্তায় না।

মাযহাব চারটি কেনো?
নির্দিষ্ট কোনো একটি মাযহাব অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা সবার সামনে পরিস্কার হয়ে যাওয়ার পরে একটি প্রশ্ন এক্ষেত্রে উত্থাপিত হয় যে, মাযহাব চারটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হবে কেনো? অর্থাৎ একাধিক মাযহাবের ক্ষেত্রে মাযহাব চারটিরও অধিক তো হতে পারতো!
এই চার মাযহাবের চার ইমামের বাইরেও আরো অনেক মুজতাহিদ ইমামের আবির্ভাব হয়েছে। যথা- সুফিয়ান সাওরি, ইমাম আওযায়ী, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইসহাক বিন রাহওয়াহ, ইবনে আবি লাইলা, ইবনে শিবরামা, হাসান ইবনে সালিহ রহ. প্রমুখ মণীষীগণ সকলেই ছিলেন বিদিত-স্বীকৃত মুজতাহিদ।
কিন্তু চারটি মাযহাবই থাকবে, এ চারটির যে কোনো একটির অনুসরণ করতে হবে; এর বাইরে পঞ্চম কোনো ইমামের মাযহাব অনুসরণ করা যাবে না- এর কারণ কী?

উত্তর
অনিবার্য একটি অপারগতার কারণে উপরোক্ত চার মাযহাবের বাইরে অন্য কোনো মুজতাহিদ ইমামের মাযহাবের অনুুসরণ করা যাবে না।
কারণ প্রথমতঃ এ সব মুজতাহিদ মণীষীগণের মতামত ও মাযহাব সংকলিতভাবে সংরক্ষিত হয়নি। উপরোক্ত চার ইমামের মাযহাবের মতো এ সব মুজতাহিদ ইমামগণের মাযহাবও সংরক্ষিত হলে অবশ্যই তাঁদের মাযহাবেরও অনুসরণ করা যেতো।
দ্বিতীয়তঃ এ সব মুজতাহিদ ইমামগণের মতামত কিংবা মাযহাব বর্ণনা করা এবং সেগুলো সংরক্ষণ করার জন্য তাঁদের পরবর্তী কোনো আলিমও অবশিষ্ট থাকেননি। ফলে তাঁদের মত ও পথের অনুসরণ করার কোনো উপায়ও নেই।
এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা আব্দুর রওফ মানাবি রহ. হাফিয যাহাবী রহ.-এর সূত্রে উল্লেখ করেন-
চার মাযহাবের চার ইমাম, সুফিয়ান সাওরি, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, ইমাম আওযায়ী, দাউদ যাহেরি, ইসহাক ইবনে রাহওয়াহ সহ সকল ইমামগণ হক ও হিদায়াতের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন- এ বিশ্বাস রাখা আমাদের জন্য আবশ্যক।

যে ব্যক্তি নিজে মুজতাহিদ নয়, তার জন্য নির্দিষ্ট কোনো মাযহাবের অনুসরণ করা অবশ্য কর্তব্য। তবে ইমামূল হারামাইনের মতে সাহাবায়ে কেরাম রাযি., তাবেয়ীন রহ. এবং ওই সকল মুজতাহিদ ইমামগণের অনুসরণ করা জায়েয নয়, যাদের মাযহাব অথবা চিন্তাধারা সংকলিত ও সংরক্ষিত হয়নি।
সুতরাং বিচার ও ফতোয়ার ক্ষেত্রে চার মাযহাবের চার ইমাম ব্যতীত অন্য কোনো মুজতাহিদ ইমামের অনুসরণ করা জায়েয নেই। কারণ এই চার মাযহাব সংকলিত হয়ে পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলোর মূলনীতি ও পরিভাষা সমূহও এখন সর্বজন বিদিত।
অপরদিকে অন্যান্য মাযহাবের সংকলক ও অনুসারী না থাকায় সেগুলো এমনিতেই অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। ইমাম রাযী রহ. এ বিষয়ে সকল গবেষক মণীষীগণের ঐক্যমত্যের কথা উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ মানুষকে সাহাবায়ে কেরাম রাযি. এবং অন্যান্য মণীষীগণের অনুসরণ করা থেকে বিরত রাখা আবশ্যক। (ফাইযুল কাদীর- শরহুল জামিইস সগীর, মানাবি রহ.ঃ ১/২১০, হা- ইখতিলাফু উম্মাতি রহমাতুন)

এ কথাটিই ইমাম নববী রহ. এভাবে বলেছেন-
সাহাবায়ে কেরাম রাযি. ও প্রথম শতাব্দীর অন্য কোনো মুজতাহিদ ইমামের অনুসরণ করা জায়েয নেই। যদিও তাঁরা পরবর্তীকালের মুজতাহিদ ইমামগণের তুলনায় উচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। কারণ তাঁরা নিজেদের জ্ঞান ও চিন্তাধারার মূলনীতি ও মাসায়েলকে সংকলন ও গ্রন্থনা করার অবকাশ পাননি। ফলে তাঁদের কারো মাযহাব লিখিত হয়নি, বিন্যস্তও হয়নি। এমনকি সংকলিতভাবে সংরক্ষিতও হয়নি।
এছাড়া মূলত ফিকাহ সংকলন করেছেন পরবর্তী যুগের মুজতাহিদ ইমামগণ। আর তাঁরা ছিলেন সাহাবী ও তাবেয়ী ইমামগণের মাযহাব ও চিন্তাধারার সংগ্রাহক। তাঁরা ঘটনাবলী সংঘটিত হওয়ার আগেই এর বিধানাবলী সংকলন করেছেন। এরপর স্বীয় চিন্তাধারার মূলনীতি ও ধারা-উপধারা সমূহ স্পষ্টরূপে তুলে ধরেছেন। এ শ্রেণির ইমামগণের অন্যতম হলেন ইমাম মালিক এবং ইমাম আবু হানিফা রহ.। (আল-মাজমু- শরহুল মুহাযযাব- ইমাম নববীঃ ১/৯১, প্রশ্নকারীর নিয়ম সম্পর্কিত অধ্যায়)
এ বিষয়ে বরেণ্য আলিমগণের স্পষ্ট বক্তব্য অনেক রয়েছে। আমরা সংক্ষিপ্তভাবে এখানো আরো দুইজন মণীষীর বক্তব্য উল্লেখ করছি। কারণ এ দুইজন মণীষী ওই সব ব্যক্তিত্বের দৃষ্টিতেও ইলমি সততা ও দ্বীনদারির বিচারে গ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার অধিকারী, যারা ব্যক্তি তাকলীদ (নির্দিষ্ট কাউকে অনুসরণ করা) কে স্বীকার করেন না।
এ দুইজনের একজন হলেন শায়খ ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. এবং অপরজন হলেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি রহ.।

শায়খ ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. নিজের ফতোয়াগ্রন্থে লিখেন-
কুরআন-সুন্নাহর দৃষ্টিতে মুজতাহিদ ইমামগণের মাঝে পারস্পরিক কোনো পার্থক্য নেই। সুতরাং ইমাম মালিক, লাইস ইবনে সাদ, ইমাম আওযায়ী এবং সুফিয়ান সাওরি সকলেই আপন যুগের ইমাম ছিলেন। তাকলীদের (অনুসরণ) ক্ষেত্রে তাঁরা সবাই সমান।

কোনো মুসলিমই এ কথা বলে না যে, কারো অনুসরণ করা জায়েয আবার কারো অনুসরণ করা জায়েয নেই। তবে তারা তাঁদের মধ্য থেকে কারো কারো অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন মূলত দুটি কারণে। সেগুলো হলো-
এক. তাঁদের মাযহাব সম্পর্কে সম্যক অবগত কোনো লোক বেঁচে নেই। আর মৃত ইমামের অনুসরণ করা সম্পর্কে মতভিন্নতাও একটি গুুরত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারো মতে তা জায়েয আবার কারো মতে না-জায়েয।
না-জায়েয দাবিদারগণের মতে ওই ইমাম মৃত্যুবরণ করার ফলে তাঁর অনুসরণের কোনো অর্থ হয় না। অপরদিকে জায়েয দাবিদারগণের মতে মৃত ইমামের অনুসরণ করা ওই সময়েই জায়েয হবে, যখন তাঁর মাযহাব সম্পর্কে সম্যক অবগত কোনো আলিম বিদ্যমান থাকেন।
দুই. যেসব মুজতাহিদ ইমামগণ বেঁচে নেই এবং যাদের মাযহাবেরও অস্তিত্ব নেই, তাঁদের মতের বিরূদ্ধে ইজমা (উম্মাহর সর্বসম্মতি) হয়ে গেছে। তবে অঅগের অস্বিত্বহীন কোনো মাযহাবের কোনো মতের সাথে বর্তমানে সংরক্ষিত কোনো মাযহাবের কোনো মাসআলার সাথে মিলে যায়, তা হলে এ সংরক্ষিত মাযহাব আরো সমর্থিত ও শক্তিশালী হবে বৈকি! (আল-ফাতাওয়াল কুবরা-ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২/৪৪৬)
দ্বিতীয় মণীষী শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদিদএস দেহলবি রহ. স্বীয় রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইকদুল জিদ’ -এ এ বিষয়ে আলাদা একটি অধ্যায় করেছেন।
অধ্যায়ের শিরোনাম হলো-
অর্থাৎ “বর্তমান চার মাযহাব গ্রহণের অপরিহার্যতা এবং তা বর্জন করার ভয়াবহ পরিণতি”। তিনি এ অধ্যায় শুরু করেছেন এভাবে-
মনে রেখো! এ চার মাযহাবকে বরণ করার মধ্যে যেমন বিশাল কল্যাণ নিহিত রয়েছে, ঠিক তেমনি তা বর্জন করার মধ্যে ভয়াবহ ক্ষতিও রয়েছে। আমরা এ বিষয়টি কয়েকভাবে তুলে ধরবো। (ইকদুল জিদ ফি আহকামিল ইজতিহাদি ওয়াত-তাকলীদঃ পৃ-৩১)

অতঃপর লেখক বলেন-
এক. শরীয়তকে বুঝতে হলে পূর্বসুরী মণীষীগণের ওপর ভরসা করতেই হবে; এ নিয়ে কোনো মুসলিমেরই দ্বি-মত নেই। তাঁদের বর্ণনা ও বিশ্লেষণের আলোকেই ইসলামকে জানতে হবে। কিন্তু তাঁদের মতামত ও বিশ্লেষণের ওপর ওই সময়েই আমরা ভরসা করতে পারবো, যখন সেগুলো আমরা নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত সূত্রে লাভ করবো অথবা কোনো গ্রন্থে তা লিপিবদ্ধ আকারে পাবো।
তাছাড়া পূর্বসুরীগণের মতামত ও বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য সেগুলো ‘মাখদুম’ও হতে হবে। মাখদুম হওয়ার অর্থ হলো- পরবর্তী যুগের আলিমগণ তাঁদে বর্ণনা-বিশ্লেষণ গ্রহণ করে সেগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। পূর্বসুরীগণের কোনো বক্তব্য কিংবা কোনো উক্তি একাধিক অর্থপূর্ণ হয়ে থাকলে অধিকতর গ্রহণযোগ্য দিকটিও পরবর্তী আলিমগণ চিহ্ণিত করে দিয়েছেন।
কারণ অনেক সময় কোনো মুজতাহিদ ইমামের একটি কথা বা উক্তির বাহ্যত ব্যাপক অর্থ থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখানে তার বিশেষ একটি রূপই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। তাই পূর্বসুরী মুজতাহিদ ইমামগণের এ জাতীয় উক্তির উদ্দিষ্ট অর্থ ও মর্মও সেই মাযহাবের পরবর্তী আলিমগণের মাধ্যমে বিধৃত ও চিহ্ণিত হতে হবে। কোনো বিধানের বিশেষ কোনো কারণ বা রহস্য থাকলে তাও আলোচিত হতে হবে একই নিয়মে।
উপরোক্ত নিয়মে কোনো মাযহাবের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ প্রকাশিত না হলে ওই মাযহাবের ওপর ভরসা করা যাবে না। আর এখন উপরোক্ত বৈশিষ্টাবলী বর্তমান চার মাযহাব ছাড়া অন্য কোনো মাযহাবে পাওয়া যায় না। হ্যাঁ, ইমামিয়্যা ও যায়দিয়্যাদের কথাও স্বতন্ত্র; কিন্তু তারা যেহেতু বিদ’আতি, তাই তাদের কথাও বিশ্বাসযোগ্য নয়।
দুই. নিম্নোক্ত হাদীসে নববীর আলোকে বর্তমানে এই চার মাযহাবের কোনো একটিকেই অনুসরণ করতে হবে। যথা- নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- তোমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অনুসরণ করো।
সুতরাং বর্তমান চার মাযহাব ছাড়া অন্যান্য মাযহাব বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এ চার মাযহাবই সংখ্যাগরিষ্ঠের আওতাভুক্ত।
তিন. বর্তমান চার মাযহাব ছাড়া অন্য কোনো মুজতাহিদ ইমামের মতানুসারে ফতোয়া প্রদান করা হলে ব্যাপকভাবে মানুষের মাঝে প্রবৃত্তির পূজা শুরু হয়ে যাবে। ফলে বিভিন্ন সময়ের নামধারী আলিমরা নিজের মনমতো যে কোনো ফতোয়া অতীত যুগের কোনো মণীষীর নামে চালিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস দেখাবে।
আর যেসব মাযহাবের ভাষ্যকার কিংবা ব্যাখ্যাতা প্রতি যুগেই বিদ্যমান থাকেন, সেসব মাযহাবের ক্ষেত্রে এ ধরণের অসৎ প্রক্রিয়া অবলম্বনের কোনো আশংকাই থাকে না। (ইকদুল জিদ ফি আহকামিল ইজতিহাদি ওয়াত-তাকলীদঃ পৃ-৩১-৩৩)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.