লাইলাতুল কদরঃ মহিমান্বিত রাতের সন্ধানে

0
664
Lailatul Qadar
Lailatul Qadar

পৃথিবীর দিবারাত্রির মধ্যে কদরের রাত্রি সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ ও মহিমান্বিত রাত। হাজার মাসের চেয়েও উত্তম পুণ্যময় রাত এটি। সমগ্র জাহানের হিদায়াত ও কল্যাণের জন্য নাযিলকৃত মহাগ্রন্থ আল-কুরআনকে এ রাতেই লওহে মাহফুয থেকে পৃথিবীর আসমানে অবতীর্ণ করা হয়। এছাড়া লাইলাতুল বারাআতে সমগ্র সৃষ্টিকুলের ভাগ্য ও রিযিকের প্রাথমিক ফয়সালা কার্যকর হওয়ার পর এ লাইলাতুল কদরে এর দায়িত্বভার ফিরিশতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে-
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ – فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ –
নিশ্চয় আমি এ কুরআনকে বরকতময় রাতে অবতীর্ণ করেছি; আমি হলাম সতর্ককারী। আর এ রাতে প্রত্যেক বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত ও সুদৃঢ় ফয়সালা জারি করা হয়। (সূরা দুখান-৩-৪)
ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন-
লাইলাতুল কদরে যেসব ফিরিশতাদের কাছে সমগ্র সৃষ্টিকুলের ভাগ্যলিপি ও রিযিকের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়, তাঁরা হলেন- জিবরীল, মিকাঈল, ইসরাফীল এবং আযরাঈল আলাইহিমুস সালাম।
(তাফসীরে কুরতুবী; মাযহারী)
লাইলাতুল কদরের মহত্ত্ব বুঝানোর লক্ষ্যে কদর নামে কুরআনে একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল করা হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে-
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ – وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ – لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ – تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ – سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ –
অর্থঃ নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত কদরের রাত্রিতে। আপনি কি জানেন, মহিমান্বিত সেই রাত্রি কোনটি? এ রাত্রি হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এই রাতেই ফিরিশতাগণ এবং রুহ অর্থাৎ জিবরীল আলাইহিস সালাম প্রত্যেক কাজে তাঁদের রবের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়ে থাকেন। শান্তিই শান্তি; এ রাত্রিতে ঊষার আবির্ভাব হওয়ার আগ পর্যন্ত। (সূরা কদর)

হাদীসের বর্ণনায় লাইলাতুল কদর
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
যে ব্যক্তি কদরের রাত্রিতে ঈমানসহ সাওয়াবের আশায় আল্লাহ তা’আলার ইবাদাতের উদ্দেশে দাঁড়াবে, তাঁর পিছনের সকল পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (সহীহুল বুখারী)
তিনি আরো ইরশাদ করেন-
তোমাদের কাছে রমযান মাস আগমন করেছে। এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাত থেকে বঞ্চিত হবে, সে সমগ্র কল্যাণ ও বরকত থেকে বঞ্চিত হবে। আর এর কল্যাণ ও বরকত থেকে একমাত্র হতভাগা ছাড়া আর কেউ বঞ্চিত হয় না। (সুনানে ইবনে মাজাহ; আত-তারগীব)
লাইলাতুল কদরের সময় জিবরীল আলাইহিস সালাম একদল ফিরিশতা নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন। তাঁরা সেসব লোকদের জন্য দো’আ করতে থাকেন- যারা এ রাতে দাঁড়ানো কিংবা বসা অবস্থায় ইবাদাতে মগ্ন থাকেন। (সুনানে বায়হাকী)

লাইলাতুল কদর কখন হয়?
লাইলাতুল কদরের সময়সীমা প্রথমে নির্ধারিত করা হলেও বিশেষ কোনো রহস্যের কারণে পরে তা উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং রমযানের শেষ দশকে ওই রাত্রি অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিখ্যাত সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বলেন-
একবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানের প্রথম দশকে ইতিকাফ করলেন। এরপর একুট তুর্কি তাবুতে রমযানের দ্বিতীয় দশকেও ইতিকাফ করলেন। দ্বিতীয় দশক শেষ হওয়ার পর তিনি তাবু থেকে মাথা বের করে বললেন-
আমি রমযানের প্রথম ও দ্বিতীয় দশক ইতিকাফ করেছি। অবশেষে স্বপ্নযোগে ফিরিশতার মাধ্যমে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হলো- আপনি রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করুন। সুতরাং তোমাদের যারা আমার সাথে ইতিকাফ করতে চাও, রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করো।
আমাকে স্বপ্নযোগে লাইলাতুল কদরের সময়সীমা বলে দেওয়া হয়েছিলো; অতঃপর তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেকে দেখতে পেলাম, আমি লাইলাতুল কদরের ফজরের সালাতে পানি ও কাঁদার মধ্যে সিজদা করছি। সুতরাং তোমরা রমযানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো। (সহীহুল বুখারী; সহীহ মুসলিম)
সাহাবী উবাদা রাযি. বলেন- নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
রমযানের শেষ দশকের যে কোনো বিজোড় রাত্রি লাইলাতুল কদর হবে। আর তা হলো- রমযানের ন২১ তম, ২৩ তম, ২৫ তম, ২৭ তম অথবা শেষ রাত্রি। (মুসনাদে আহমাদ)
নবীজির প্রথম সাহাবী আবু বকর রাযি., সাহাবী ইবনে আব্বাস রাযি. এবং উ¤মূল মুমিনীন আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- রমযানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে তোমরা লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।
(সহীহুল বুখারী; সহীহ মুসলিম; সুনানে তিরমিযী; সুনানে নাসায়ী; মুসনাদে আহমাদ)
সাহাবী উবাদা ইবনে সামিত রাযি. বলেন-
একদিন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কক্ষ থেকে বের হয়ে আসলেন। তিনি ওই সময় মূলত লাইলাতুল কদরের সময় বলার জন্য বের হয়েছিলেন। আমাদের কাছাকাছি তখন দুই মুসলিম ব্যক্তি কোনো একটা বিষয় নিয়ে ঝগড়া করছিলো।
তিনি এসেই বললেন- আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদরের সময় সীমা জানানোর জন্যই বের হয়েছিলাম, কিন্তু অমুক দুইজন পরস্পরে ঝগড়া করার কারণে আমাকে এর নির্দিষ্ট তারিখ ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্ভবত এটা তোমাদের জন্য ভালোই হয়েছে। তোমরা রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো। (সহীহুল বুখারী)
সাহাবী আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
রমযানের ২৭ কিংবা ২৯ তম রাত্রি হলো লাইলাতুল কদর। (সুনানে আবি দাউদ)
উপরোক্ত বর্ণনা সমূহের দ্বারা রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানের কথা বলা হলেও কিছু কিছু বর্ণনা ও অপর কিছু সাহাবীগণের বক্তব্য দ্বারা রমযানের ২৭ তম রাত্রিতে লাইলাতুল কদর হওয়ার কথা বুঝা যায়। নিম্নে এ সম্পর্কে কিছু ববর্ণনা উল্লেখ করা হলো-
সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযি. বলেন-
নবীজির কিছু কিছু সাহাবীকে লাইলাতুল কদর রমযানের ২৭ এর রাতে হওয়ার কথা স্বপ্নে দেখানো হয়েছিলো। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদেরকে বললেন- ২৭ এর রাতে লাইলাতুল কদতর হওয়ার ব্যাপারে তোমাদের সবার স্বপ্ন যে প্রায়ই একই রকম। তাই তোমাদের কেউ লাইলাতুল কদর পেতে ইচ্ছা করলে সে যেনো তা রমযানের শেষ দশকের সপ্তম রাতে অর্থাৎ ২৭ তম রাতে অনুসন্ধান করে।
উল্লেখ্য, এ সময় তিনি লাইলাতুল কদরের কিছু লক্ষণও বলে দেন। (সহীহুল বুখারী; সহীহ মুসলিম)
বিশিষ্ট সাহাবী উবাই বিন কাব রাযি.কে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন- রমযানের ২৭ তম রাত্রিই হলো লাইলাতুল কদর। লোকেরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো- আপনি এটা কীভাবে নিশ্চিত করে বলছেন? তিনি বললেন- বিশেষ কিছু লক্ষণ দ্বারা আমি এরূপ বলছি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এ লক্ষণগুলো বলে গেছেন। আর তা হলো- লাইলাতুল কদরের পরের দিনে সূর্য্য এমনভাবে উদিত হবে যে, এর আলোর মধ্যে অন্যান্য দিনের মতো প্রখরতা থাকবে না।
(সহীহুল বুখারী; সহীহ মুসলিম)

নবীজির গোয়েন্দা প্রধান সাহাবী হুযাইফা রাযি. এবং বিশিষ্ট বুযুর্গ সাহাবী আবু যর রাযি.ও কদরের রাত্রি হিসেবে রমযানের ২৭ তম রাত্রিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। এছাড়া সাহাবীদের পরবর্তী যুগে ইমাম আবু হানিফা রহ. সহ অধিকাংশ তাবেয়ী ফকীহ ও আলিমগণের মতামত হলো- রমযানের ২৭ তম রাত্রিতে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বিখ্যাত তাবেয়ী যির ইবনে হুবাইস রহ. বলেন-
একবার আমি সাহাবী উবাই বিন কাব রাযি.কে জিজ্ঞাসা করলাম- ইবনে মাসউদ রাযি. যে বলেন, যে ব্যক্তি সারা বছর রাত্রি জাগরণ করবে, সে লাইলাতুল কদর লাভ করবে- এর অর্থ কী? তিনি উত্তরে বললেন- আল্লাহ তা’আলা ইবনে মাসউদের ওপর রহম করুন। তিনি এর দ্বারা লোকদেরকে বুঝাতে চেয়েছেন যে, কারো জন্য শুধু একটি রাতের ওপর ভরসা করে বসে থাকা উচিত নয়।
সাবধান! তিনি অবশ্যই জানেন, লাইলাতুল কদর হয় রমযানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিতে। আর তা ২৭ তম রাত্রিতে। অতঃপর তিনি দৃঢ়ভাবে শপথ করে আবারো বললেন- লাইলাতুল কদর অবশ্যই রমযানের ২৭ তম রাত্রিতে। (সহীহ মুসলিম; মিশকাত)
উপরোক্ত বর্ণনা ছাড়াও আরো বিভিন্নজন থেকে লাইলাতুল কদরের ব্যাপারে একাধিক বর্ণনা রয়েছে। যথা-
 সাহাবী আলী বিন আবি তালিব রাযি., ও সাহাবী ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে রমযানের ১৯ তম রাত্রে লাইলাতুল কদর হওয়ার কথা বর্ণিত আছে।
 সাহাবী আবু সায়ীদ রাযি. থেকে রমযানের রমযানের ১৯ তম রাত্রির কথা বর্ণিত হয়েছে।
 সহীহ মুসলিম সূত্রে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উনাইস রাযি. থেকে রমযানের ২৩ তম রাত্রির কথা বর্ণিত হয়েছে।
 সুনানে আবি দাউদের একটি সূত্রে রমযানের ২৪ তম রাত্রিকে লাইলাতুল কদর বলা হয়েছে। সাহাবী ইবনে মাসউদ রাযি., সাহাবী ইবনে আব্বাস রাযি., বিখ্যাত তাবেয়ী হাসান রহ., কাতাদা রহ. এবং আব্দুল ওয়াহহাব রহ.-এর মত এটাই। কারণ তাঁদের মতে কুরআন রমযানের ২৪ তম রাতে লওহে মাহফুয থেকে পৃথিবীর আসমানে অবতীর্ণ হয়েছে।
 সাহাবী উবাদা বিন সামিত রাযি. তাঁর এক বর্ণনায় ২৫ রমযানের কথা বলেছেন।
 ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেন- রমযানের ১৭ তম রাত্রিতে লাইলাতুল কদর হয়। এ মর্মে সুনানে আবি দাউদে একটি মারফু (বর্ণনা সূত্রে সাহাবীর নাম উল্লেখবিহীন) হাদীস রয়েছে। বিশিষ্ট তাবেয়ী হাসান বসরি রহ. এ মতটিকে সমর্থন করেছেন।
 সর্বোপরি লাইলাতুল কদরের সময় নিয়ে যত বর্ণনা কিংবা মতামত হোক না কেনো- ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা ওমর ইবনুল খাত্তাব রাযি.-এর যুগে সবার সম্মতিক্রমে লাইলাতুল কদর রমযানের শেষ দশকে হওয়ার ব্যাপারে ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

লাইলাতুল কদরে করণীয়
নবীজি ও তাঁর সাহাবীগণ সাধারণভাবে নফল ইবাদাত তথা সালাত-যিকির-তাসবীহাত আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এ রাত অতিবাহিত করে দিতেন। যেহেতু এ রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে, তাই এ রাতে কুরআন তিলাওয়াতে বিশেষ ফযীলত রয়েছে।
উল্লেখ্য, লাইলাতুল কদরে নির্দিষ্ট নিয়ম অথবা রাকাআত বিশিষ্ট সালাতের বিধান নেই। সালাত ছাড়া অন্য যে কোনো ইবাদত ও আমলের ক্ষেত্রে কোনো বাধ্যবধকতা নেই।

এ প্রসঙ্গে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
যে ব্যক্তি কদরের রাত্রিতে ঈমানসহ সাওয়াবের আশায় আল্লাহ তা’আলার ইবাদাতের উদ্দেশে দাঁড়াবে, তাঁর পিছনের সকল পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (সহীহুল বুখারী)
তাই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ রাতে নিজ পরিবারের লোকদেরকে জাগিয়ে তুলতেন। নিজে কবর যিয়ারত করতেন। সাহাবায়ে কেরাম নবীজিকে অনুসরণ করতেন।
উ¤মূল মুমিনীন আয়েশা রাযি. বর্ণনা করেন- একবার আমি নবীজি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- ইয়া রাসুলাল্লাহ! অঅমি যদি লাইলাতুল কদর পাই, তা হলে কী দো’আ করবো?
উত্তরে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করলেন- হে আয়েশা! তখন তুমি এ দো’আ করো-
اللهم إنك عفوّ كريم- تحب العفو- فاعف عني-
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি মহিয়ান ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাগণকে পাপ-পঙ্কিলতা থেকে পবিত্র করে আযাব থেকে রক্ষা করতে চান। এ লক্ষ্যে তিনি তাঁর বান্দাদেরকে এ রকম একটি মহিমান্বিত রজনী দান করেছেন। প্রতি বছরে এ রাত্রি আমাদের কাছে গমন করে। রহমত-বরকত ও মাগফিরাতের সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করার জন্যই দয়াময় মহান রবের দরবারে হাযিরা দেওয়া আমাদের জন্য কর্তব্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.